সূচী

ইতিহাস তথ্য ও তর্ক

বিবিধ

আজকাল আন্তর্জালের দৌলতে গ্রন্থাগার বললেই ডিজিটাল গ্রন্থাগারের কথা মনে হয়। কিছুদিন আগে পর্যন্তও গ্রন্থাগার বলতে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের বহুসংখ্যক গবেষক বা ছাত্রের পাঠের সুবিধাযুক্ত বিপুল মুদ্রিত পুস্তকের সংগ্রহশালার কথা চোখের সামনে ভেসে উঠত। কারও হয়তো কলকাতার জাতীয় গ্রন্থাগারের কথা মনে হতো, কারও বা ব্রিটিশ লাইব্রেরির কথা। ভারতীয় উপমহাদেশে ছাপা বইয়ের সূত্রপাত বেশি দিনের নয়। এর পূর্ববর্তী দীর্ঘ কালপর্বে এই উপমহাদেশের গ্রন্থভাণ্ডারগুলি ছিল হাতে লেখা পাণ্ডুলিপির পুথিশালা। ভারতীয় উপমহাদেশে গ্রন্থাগারগুলি মূলত শাসকদের বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতায় স্থাপিত হয়েছিল, তবে অন্ত-মধ্যযুগে কিছু উল্লেখনীয় ব্যক্তিগত পুথিশালাও গড়ে উঠেছিল।
দার্জিলিং বা গ্যাংটকের চিনামাটির পাত্রের দোকানে গেলে ছবির এই পাত্রটি পেতে খুব একটা অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। তবে এর নাম যদি জানতে চান তাহলে আপনাকে বলা হবে ‘মঙ্ক কটোরা’ বা ‘চায়না কাপ’। কিন্তু এগুলি আমাদের দেওয়া নাম, আসল চিনা নামটি হল গাইওয়ান। নাম শুনে যদি ভাবেন এর সঙ্গে তাইওয়ানের কোনও সম্পর্ক আছে, তবে তা একান্ত ভুল, কেবলই আনুপ্রাসিক সম্পর্ক। এটা চীনের মিং রাজবংশের আমলের চা সংক্রান্ত পাত্রের একটি এমন আবিষ্কার যা কিনা আজও ক্রেতার আকর্ষণের বিষয়বস্তু হয়ে আছে। এ কিন্তু কেবল চা খাওয়ার পাত্র নয়, এখানে সামান্য কয়েকটা পাতা ফেলে তাতে গরম জল ঢেলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা, তারপর তর্জনীকে ঢাকনার উপরে ও বৃদ্ধাঙ্গুলি আর মধ্যমাকে কাপের দুই প্রান্তে ধরে হালকা করে কেবল কাত করলেই চা পাতা থেকে শুষে নেওয়া খয়েরি বা সবুজ আভার গরম জল চুইয়ে পড়বে নীচের ছোটো বাটিতে আর তারপরেই… আহা!!