সূচী

ইতিহাস তথ্য ও তর্ক

Author: নবাঙ্কুর মজুমদার

নবাঙ্কুর মজুমদার
ইতিহাস বিষয়ে স্নাতকোত্তর, বর্তমানে শিক্ষকতার সাথে যুক্ত। বসবাস কলকাতায়। প্রিয় বিষয় প্রাচীন ভারতের ইতিহাস আর অকাজে হিমালয়ের আনাচে কানাচে ঘুরে বেড়ানো।
সাঁওতাল বিদ্রোহ। ভারতের আদিবাসী বিদ্রোহগুলির মধ্যেকার এক মহাবিস্ফোরণ। সাঁওতাল বিদ্রোহের নাম শোনেননি এমন লোক মেলা ভার। ১৮৫৫ সালে সিধু কানুর নেতৃত্বে ভাগনাডিহির মাঠে সাঁওতাল বিদ্রোহের ডাক দেওয়া হয়েছিল, ইংরেজরা এই বিদ্রোহ কঠোর হাতে দমন করেছিল ইত্যাদি সাধারণ তথ্যগুলো আমরা সবাই জানি। তাহলে এ বিষয়ে একটা নতুন বই আবার কষ্ট করে পড়তে যাব কেন? এই বইটার পাঠপ্রতিক্রিয়া দিতে যখন বসেছি, তা তো নিশ্চয়ই বলব, তবে তার আগে বইটার নাম, প্রকাশক, বিপণন ও মুদ্রণ শিল্পীর নামগুলোর দিকে পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। পন্ডিত রঘুনাথ মুর্মু আরশালবাতি ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নামে এক অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা যখন এমন এক গবেষণালব্ধ বইয়ের বিপণনের দায়িত্ব নিয়েছে যার লভ্যাংশ সাঁওতাল সমাজের জনসেবামূলক কাজে লাগানো হবে তা সর্বাংশে ব্যতিক্রমী বইকি!
প্রিয় ইমতিয়াজ, আশাকরি তুমি ভাল আছো। তোমার চিঠির উত্তর দিতে এতোটা দেরি হয়ে গেল ব’লে আগেভাগেই তোমার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আসলে ই-মেল, হোয়াটস অ্যাপের যুগে চিঠি লেখার অভ্যেস বা চিঠি পাওয়ার মজা দুটোই তো নষ্ট হয়ে গেছে, তাই সুদূর রাজশাহী থেকে তোমার ডাকটিকিট লাগানো হাতে লেখা চিঠিখানা যখন পেলাম, একটু অবাকই হয়েছিলাম। সত্যি বলতে কি, চিঠিটা খুলে পড়তে পড়তে বারে বারে ফিরে যাচ্ছিলাম ছোটবেলার সেই ডাকপিওনের দিনগুলোতে। নস্টালজিয়া যেন ঘিরে ধরছিল। তাই চিঠির মূল প্রতিপাদ্যতে মন না দিয়ে বাংলাদেশের ডাকটিকিট, সুন্দর খাম, হাতের লেখা ইত্যাদিতে বেশি মন দিয়ে ফেলছিলাম। যাইহোক, তোমার চিঠির বিষয়বস্তুতে ফিরে আসি।
২০০৯ সালের ৫ই জুলাই। অল ইংল্যান্ড ক্লাবের ঘাসের কোর্টে চলছে উইম্বলডনের মেন্স সিঙ্গলসের ফাইনাল ম্যাচ। গ্র্যান্ড স্ল্যাম ইতিহাসের দ্বিতীয় দীর্ঘতম ম্যাচ এটা। ঘটনাচক্রে আমি মাঠে উপস্থিত। ৪ ঘন্টা ১৭ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে জয়ী আমার সবচেয়ে পছন্দের প্লেয়ার রজার ফেডেরার। দীর্ঘতম ফিফথ সেট শেষ হতেই লেগেছে ৯৫ মিনিট। চোখের সামনে ইতিহাস সৃষ্টি হতে দেখে আনন্দে উত্তেজনায় তখন মাঠে বসে থরথর করে কাঁপছি। পুরো গ্যালারি জুড়ে চলছে মেক্সিকান ওয়েভ। চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে গলাব্যথা হয়ে গেছে। সঙ্গী পুষ্পেন্দুরও একই অবস্থা। হঠাৎ পকেটের ফোনটা বেজে উঠলো। বের করে দেখি গ্যাব্রিয়েল। প্যারিস থেকে। ও