সূচী

ইতিহাস তথ্য ও তর্ক

স্মৃতিতে লোহা

স্মৃতিতে লোহা

মানসপ্রতিম দাস

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬ ১৮৪ 7

আমাদের মধ্যে ক’জনই বা ভোজপুরি সিনেমা সম্পর্কে খবর রাখি! এ ভাষার ছবি আজ বিশেষ কিছু ঝোঁকের জন্য পরিচিত। টেলিভিশনে তেমন ছবির অংশ বিশেষ দেখালে বেশ কৌতুক আর হয়ত কিছুটা তাচ্ছিল্য নিয়ে তাকায় ‘সিনেমাপ্রাণ’ বাঙালি দর্শক। তাই ষাটের দশকে এই ধারায় কোন পরিচালক কেমন ছবি তৈরি করেছিলেন তার তথ্য আমাদের কাছে না থাকাই স্বাভাবিক। ঔদাসীন্য যেখানে থাকার থাক, উল্লেখ করা যাক যে ১৯৬৬ সালে কুন্দন কুমার নামে একজন পরিচালক তৈরি করেছিলেন ‘লোহা সিং’ নামে ভোজপুরি চলচ্চিত্র। নামেই মজে যান অনেকে, তেমনি আবার চটেও যান বহু মানুষ। কোনো ছবির নাম ‘লোহা সিং’ ছিল শুনলে আর এক দফা অবজ্ঞা ধেয়ে আসবে নির্ঘাত। ছবিটা ওই সময়েও ভালো বাণিজ্য করেছিল জানলেও চলে যাওয়ার নয় এই অবজ্ঞা। তবে নামের পেছনে কাহিনিটা জানলে বোধহয় মনোভাব পাল্টাতে পারে খানিকটা।   

১৯৯১ সালে সাহিত্যের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন বিহারের রামেশ্বর সিং কাশ্যপ (১৯২৭-১৯৯২)। তাঁর কাজের কথা বিহারে যতটা পরিচিত ততটা হয়তো সে রাজ্যের বাইরে নয়। রামেশ্বর ছিলেন হিন্দির অধ্যাপক, পড়াতেন পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিহার ন্যাশনাল কলেজে। সামাজিক বিষয়ে লেখালেখি করতে শুরু করেছিলেন ছাত্র অবস্থা থেকেই। পছন্দের মধ্যে প্রধান ছিল নাটক। ১৯৪৮ সালে আকাশবাণীর পাটনা কেন্দ্র চালু হয় এবং সম্ভবত শুরু থেকেই এখানে নানা বিষয়ে স্ক্রিপ্ট পাঠাতে থাকেন তিনি। এই সময় দিল্লীর মহানির্দেশালয় থেকে পাটনার অনুষ্ঠান আধিকারিক রাধাকৃষ্ণ প্রসাদের কাছে নির্দেশ আসে হাস্যরসাত্মক নাটকের এক শৃঙ্খলা তৈরি করার। শর্ত ছিল, নাটক হতে হবে আঞ্চলিক ভাষায়। নাটক লেখার ব্যাপারে রামেশ্বরের মুনশিয়ানার কথা জানতেন রাধাকৃষ্ণ। আকাশবাণীর পক্ষ থেকে তাঁকেই দেওয়া হল দায়িত্ব। সম্প্রচার হল ভোজপুরি নাটক যার নাম ছিল ‘তসলওয়া তোর কি মোর’। নামের আক্ষরিক অর্থ হল এই বাসনটা তোর না আমার? এটা ভোজপুরি ভাষায় ব্যবহৃত একটা চালু কথা যার মাধ্যমে প্রশ্ন তোলা হয় সাংসারিক, জাগতিক ব্যাপারে। দায়িত্বটা তোমার না আমার? এই ভাবনা তোর না আমার? যাই হোক, নাটকের মুখ্য চরিত্র ছিল সেনাবাহিনীর প্রাক্তন হাবিলদার লোহা সিং। গ্রামবাসী লোহা-র পরিবারে আছে স্ত্রী ও পুত্র। পুত্রের নাম খদেরন, সেই সূত্রে তার মা হল ‘খদেরন কি মা’। লোহা এক বন্ধুর সঙ্গে গল্প করে, তার নাম ফাটক বাবা বা পাঠক। লোহা যখন কথা বলে তখন মুখ থেকে বেরোয় এক খিচুড়ি ভাষা। সেটা না পুরোপুরি শহরের না গ্রামের। প্রথম নাটকেই এই বুলি পছন্দ হয়ে গেল শ্রোতাদের, সম্প্রচার শুনে হেসে গড়িয়ে পড়তে লাগল নানা বয়সের মানুষ। লোহা আবার আসুক শব্দতরঙ্গে – তৈরি হল চাহিদা। শ্রোতাদের আগ্রহকে মান্যতা দিয়ে পাটনার আকাশবাণী কেন্দ্র নাটকের শৃঙ্খলার নাম দিল ‘লোহা সিং’। তৈরি হল কয়েকশো পর্ব। নানা সামাজিক কুপ্রথার বিরুদ্ধে সহজ-সরল ভাষায় রসিকতা করে হাবিলদার লোহা জনপ্রিয় হল, দখল করে নিল আকাশবাণীর কিছুটা সময় এবং শ্রোতাদের হৃদয়!

আঞ্চলিক ভাষা নিয়ে রামেশ্বরের দক্ষতার নিদর্শন ছিল আকাশবাণীরই অন্য এক সম্প্রচারে। ‘চৌপল’ নামে অনুষ্ঠানে ‘তপেস্বর ভাই’ নামে একজন উপস্থাপক থাকতেন, সেটা আসলে রামেশ্বর। তখন তিনি ছাত্র। খুব জনপ্রিয় ছিলেন তপেস্বর ভাই। ফলে বোঝাই যায়, শ্রোতাদের প্রিয় ভাষার ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা ছিল লোহা সিংয়ের সৃষ্টিকর্তার। নাটকের অন্যান্য চরিত্রদের দিয়ে ভোজপুরি বলালেও লোহা সিংয়ের মুখে তিনি বসিয়ে দিতেন মেলানো-মেশানো এক অদ্ভুত ভাষা। একবার তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, লোহা সিং এমন মিশ্র ভাষা ব্যবহার করে কেন? বিনা দ্বিধায় তিনি জবাব দেন, ছুটিতে যখন বাড়িতে ফেরে সেনাবাহিনীর জওয়ান, শহর থেকে যখন অর্ধশিক্ষিত শ্রমিক ফেরে ঘরে তখন তারা কথা বলে এমন ভাষাতেই। যেটা বিশেষভাবে উল্লেখ করা দরকার তা হল, লোহা সিংয়ের চরিত্রে অভিনয় করতেন রামেশ্বর নিজে। ফলে এক সময় আসল নামের বদলে লোহা সিং নামেই তাঁকে চিনতে শুরু করে সাধারণ মানুষ। কিন্তু সমাজ-সংসারের গুরুভার বিষয় নিয়ে লেখা ছেড়ে একদিন রামেশ্বর কেন পড়লেন লোহা সিং নিয়ে? হাসি-ঠাট্টার এই প্রবাহ তাঁর কলমে এল কীভাবে? এর পেছনে রয়েছে তাঁর এক ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। বাবার এক চাকরের কুটুম, সেও সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়া, এমন অদ্ভুত ভাষায় কথা বলত। তাকে দেখার পর থেকেই লোহা সিং সশরীরে উপস্থিত হয় রামেশ্বরের কল্পনায়।   

১৯৬২ সালে চীন-ভারত যুদ্ধের সময় এক অভিনব ভূমিকা নিল লোহা সিং। চীনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ভারতের অন্যতম প্রচারক হয়ে উঠল বিহারের এই কল্পিত চরিত্র। আকাশবাণীর ট্র্যান্সমিটার থেকে ভেসে আসা সম্প্রচারে লোহা বলতে লাগল, “কোথায় গেল চীনের সেই অপপ্রচারকারীরা যারা বলে যে নেহরু মহিলাদের গয়না কেড়ে নেয়, শিশুদের কাছ থেকে টাকাপয়সা কেড়ে নেয়! তারা এসে দেখে যাক দেশের মানুষের গর্ব! …”। শত্রুর নামে গালমন্দ করতে-করতে লোহা সিং বলে, “… চীনের সব পরিকল্পনা ফেল হয়ে গেছে। চীনে আকাল শুরু হয়ে গিয়েছে! খেতেই পায় না তো চেহারায় লালিত্য আসবে কোথা থেকে! …”।

রামেশ্বর সিং কাশ্যপের লেখা নাটকের যে সঙ্কলন থেকে নেওয়া হয়েছে এই সংলাপগুলো তার উৎসর্গপত্রে লেখা রয়েছে – নেফা আর লাদাখের মোর্চায় যে সব নবযুবকরা বলিদান দিয়েছে তাদের উদ্দেশে। আজ ছ’ দশকেরও বেশি সময় পরে বলা কঠিন যে লোহা সিং চীনের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করে কতটা উৎসাহ সঞ্চার করতে পেরেছিল সেনাবাহিনী তথা নাগরিকদের মনে। তবে মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছিল যেসব কাহিনি তার মধ্যে একটা ছিল লোহা সিংকে আটকাতে না পেরে চীনাদের অসহায় উক্তি – নেহরু পাটনায় একটা মোষকে রেখে দিয়েছে যে চীনকে উত্যক্ত করে!

নাটকের চরিত্র লোহা সিং যে কতটা প্রভাবশালী হয়েছে তা এইটুকু জানলে বোঝা যাবে না। বিহারের সংস্কৃতি এবং রাজনীতিকে প্রভূতভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছে আকাশবাণী পাটনা থেকে সম্প্রচার হওয়া অবসরপ্রাপ্ত হাবিলদারের সংলাপ। পঞ্চাশের দশকের গোড়ায় গণেশ পাঠশালার অনেক ছাত্রের মধ্যে এক জনের নাম ছিল শত্রুঘ্ন সিনহা, পরবর্তী জীবনে বলিউডের নামকরা অভিনেতা। কৈশোরে তাঁর অভ্যাস ছিল লোহা সিংকে অনুকরণ করা। রেডিও থেকে শুনে নিয়ে নিখুঁত নকলে বন্ধুদের কাছে সেটা পরিবেশন করতেন শত্রুঘ্ন। বন্ধুমহলে তাঁর জনপ্রিয়তার বড় কারণ ছিল সেটা। কিন্তু লোহাকে অনুকরণ করে প্রতিষ্ঠা পান আর একজন, ভারতীয় রাজনীতিতে যাঁর ভূমিকা অস্বীকার করা কঠিন। তিনি বিহারের ভূতপূর্ব মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব। অনুকরণের সুফল তিনি পেতে শুরু করেন ছাত্রাবস্থা থেকেই। ফুলওয়ারিয়া গ্রাম থেকে পাটনা শহরে আসা লালু রেডিও শুনে পরিচিত হয়েছিলেন লোহা সিংয়ের সঙ্গে। সম্ভবত এই চরিত্রকে খুব আপন মনে হয়েছিল তাঁর। যেভাবে কথা বলে লোহা তা খুব দ্রুত আয়ত্ত করে নিয়েছিল কিশোর লালুপ্রসাদ। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সেই সংলাপ শুনিয়ে খ্যাতি বাড়তে লাগল তাঁর। এমনকি স্কুলে ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁকে সাহায্য করল এই অনুকরণ। মিলার হাই স্কুলের নেওয়া প্রবেশিকা পরীক্ষায় ভালো ফল করেননি লালু। কিন্তু ইন্টারভিউতে উপস্থিত হয়ে তিনি চমক দেখালেন। স্কুলের অধ্যক্ষ তাঁর মুখে লোহা সিংয়ের সংলাপ শুনে মুগ্ধ, এই ছাত্রটির মধ্যে তিনি দেখতে পেলেন এক নতুন গুণ। ভর্তি করে নেওয়া হল লালুকে। স্কুল থেকে যখন কলেজে গেলেন তিনি তখনও সঙ্গে রইল জনপ্রিয় হওয়ার উপাদান, লোহা সিংয়ের সংলাপ। বহু কঠিন পরিস্থিতিতে এই সংলাপ শুনিয়ে প্রতিপক্ষকে নিরস্ত করতে পারতেন তিনি। দেশে যখন জরুরি অবস্থা জারি হয় তখন জেলবন্দি হন ছাত্রনেতা লালুপ্রসাদ। জেলের ভেতরেও অন্যদের মনোরঞ্জনের জন্য তাঁর সহায় ছিল লোহা সিং।   

লোহা সিংকে কেন্দ্রীয় চরিত্র করে নাটক লিখে রামেশ্বর সিং কাশ্যপ প্রাথমিকভাবে খ্যাতি পেয়েছেন বিহারে। তাঁর ঝুলিতে এসেছে বিহার গৌরব, বিহার রত্ন ইত্যাদি পুরস্কার। কিন্তু পরে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে অন্যত্র। ইউনেস্কো থেকে আগ্রহ দেখানো হয় এই ব্যাপারে, লোহা সিংকে নিয়ে প্রবন্ধ ছাপা হয় এই আন্তর্জাতিক সংস্থার মুখপত্রে। এদিকে বলিউডেও পৌঁছে গিয়েছিল লোহা সিংয়ের খবর। পরিচালক প্রকাশ ঝা নিজের মত করে স্ক্রিপ্ট বানিয়ে এই কাহিনির উপর ছবি তৈরি করবেন বলে মনস্থ করেন। লেখকের সঙ্গে কথা বলার জন্য ১৯৯২ সালের অক্টোবরের শুরুতে পৌঁছে যান বিহারের সাসারামে। কিন্তু সেখানে লেখক আর পরিচালকের মতের মিল হয় নি স্ক্রিপ্ট নিয়ে। কথা হয়ত আরও কিছুটা এগোতে পারত কিন্তু অক্টোবরেই হঠাৎ করেই প্রয়াত হন রামেশ্বর সিং কাশ্যপ।১০ 

রামেশ্বরের রচনার স্বাদ আলাদা। জনমানুষের কাছে গ্রহণীয়, উপভোগ্য এবং সংস্কারমুখী। এই ধরণের নাটক লেখার ঝোঁক তো সাধারণ নয়, আর তাই এই বৈশিষ্ট্য লেখক সম্পর্কে আরও একটু উৎসুক করে বৈ কি। অনুসন্ধান আমাদের নিয়ে যায় ভারতীয় গণনাট্য সঙ্ঘের ইতিহাসে। ১৯৪৩ সালের ২৫ মে বম্বেতে স্থাপিত হয় ইণ্ডিয়ান পিপলস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশন (ইপ্টা)। বিরাট এই দেশের নানা অংশে ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত হয় এই সংগঠন। উত্তরে, হিন্দি বলয়ে এর নাম হয় ‘ভারতীয় জননাট্য সঙ্ঘ’, আসাম ও বাংলায় ‘ভারতীয় গণনাট্য সঙ্ঘ’, অন্ধ্রপ্রদেশে ‘প্রজা নাট্যমণ্ডলী’ ইত্যাদি। প্রথিতযশা শিল্পী-অভিনেতা-নাট্যকারদের সঙ্গে এই সংগঠনে সামিল হন রামেশ্বর সিং কাশ্যপ। নানা কারণে নিয়মিত বার্ষিক সম্মেলন হতে পারেনি ইপ্টার। দু’ দশকের দীর্ঘ বিরতির পরে ১৯৮৬ সালে হায়দ্রাবাদে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সম্মেলনে যে কমিটি তৈরি হয় তাতে ভাইস-প্রেসিডেন্টদের তালিকায় দেখা যায় তাঁর নাম। পারিবারিক ধারা জানলে অবশ্য সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে তাঁর এই সরণ স্বাভাবিক বলে মনে হয় না। তাঁর বাবা ছিলেন ব্রিটিশ সরকারের চাকরিতে, ছিলেন পুলিশের ডেপুটি সুপারিন্টেন্ডেন্ট। সাহিত্যের প্রতি তাঁর টান অবশ্য দেখা যায় ছোটবেলাতেই। পনেরো বছর বয়সেই রামেশ্বরের উদ্যোগে বের হয় সাময়িকী ‘কিশোর’। পরবর্তী সময়ে তাঁর হাতে রচিত গল্প, প্রবন্ধ, কবিতা প্রভূত মর্যাদা পেয়েছে। কিন্তু এইসব ছাপিয়ে তাঁর নামকে অমর করে রেখেছে লোহা সিং। বেতার সম্প্রচারের জন্য এমন চরিত্র সৃষ্টি করা তাঁর এক অসামান্য অবদান তো বটেই। ভারতীয় সমাজের উপর সেই কাল্পনিক চরিত্রের প্রভাব ফেলার ব্যাপকতা নিঃসন্দেহে আরও বিস্ময়কর। আগ্রহী গবেষক খুঁজে দেখলে আজও পাবেন কোনো এক প্রবীণ শ্রোতাকে যিনি মনে রেখেছেন বেতারে ভেসে আসা সেই সংলাপ, “খদেরনের মা, যখন আমি কাবুলের মোর্চায় ছিলাম তখন কাঠের বন্দুক দিয়ে লোহার সিন্দুক ভাঙ্গতাম!” 

১৯২৭ সালে জন্মানো রামেশ্বর সিং কাশ্যপের জন্মশতবর্ষ শুরু হতে চলেছে। উদযাপনের উদ্যোগ নিশ্চয়ই নেবেন উপযুক্ত মানুষজন। তা যদি হয় তবে তাঁর জীবন সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য আসতে পারে আমাদের সামনে। সেখানে ভারতীয় সমাজে আকাশবাণীর প্রভাব যেমন স্পষ্ট হবে তেমনি উজ্জ্বল হবে লোকসাহিত্য রচনার এক উজ্জ্বল অধ্যায়। 

তথ্যসূত্র

১. Kamal Nayan Chaturvedi, “Bhojpuri Cinema Down the Years”, [https://mevidur.wordpress.com/2010/11/08/bhojpuri-cinema-down-the-years-3/]

২. Ministry of Home Affairs (Public Section), “Padma Awards Directory (1954-2014)”.

৩. “ভগবতী প্রসাদ দ্বিবেদী, বিশেষ – চীন কে দীওয়ার মেঁ সীঁহ মারে ওয়ালা আকাশবাণী কে “লোহা সিংহ””, News18Hindi, February 09, 2021।

৪. ঐ

৫. Rameshwar Singh Kashyap, ‘Loha Singh Ka Naya Morcha’, Rashtriya Prakashan Mandal, Patna, 1965.

৬. “How Master Loha Singh Shaped Lalu Yadav”, Black Tree, https://myblacktree.com/blogs/youtub-trending-news/

৭. Bharathi S. Pradhan, ‘Anything but Khamoshi: The Shatrughan Sinha Biography’, Om Books International, 2016, ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা, পৃষ্ঠা উল্লিখিত নেই।

৮. Santosh Singh, ‘Ruled or Misruled: The Story and Destiny of Bihar’, Bloomsbury, India, 2015, ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা, পৃষ্ঠা উল্লিখিত নেই।

৯. Lalu Prasad Yadav, Nalin Verma, ‘Gopalganj to Raisina: My Political Journey’, Rupa, 2019, Oceanofpdf.com, ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা, পৃষ্ঠা উল্লিখিত নেই।

১০. “লোহা সিংহ অব সির্ফ যাদোঁ মেঁ!” Prabhat Khabar Digital Desk, October 25, 2014, [https://www.prabhatkhabar.com/video/news/163300-]।

১১. ফেসবুকে ‘Comrade’ অ্যাকাউন্টে ২৫ মে, ২০২৩ ‘Indian People’s Theatre Association (IPTA) 80th Foundation Day’ শীর্ষক পোস্ট।

১২. “Rameshwar Singh Kashwap” [https://nettv4u.com/celebrity/bhojpuri/writer/rameshwar-singh-kashyap].

১৩. পূর্বে উল্লিখিত (দ্রষ্টব্য ৮)।

বিজ্ঞানের ইতিহাস ও জনপ্রিয় বিজ্ঞান নিয়ে লেখালেখি ও সম্প্রচারের কাজে তিন দশক ধরে যুক্ত আছেন। স্নাতক থেকে পিএইচডি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। আকাশবাণীর অনুষ্ঠান আধিকারিক হওয়ার পাশাপাশি একজন স্বাধীন গবেষক। প্রকাশিত বই: ন্যানোটেকনোলজি, নক্ষত্রের নকশিকাঁথা, শতাব্দীর বিশ্বমারী, জলবায়ু বিতর্ক, একুশ শতকের নোবেলজয়ী চিকিৎসাবিজ্ঞান, সুস্থায়ী উন্নয়নের নীল নকশা, সত্যেন্দ্রনাথ বসু: একটি জীবনকথা।

মন্তব্য তালিকা - “স্মৃতিতে লোহা”

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।