সূচী

ইতিহাস তথ্য ও তর্ক

সাম্প্রতিক লেখা

হরপ্পা সভ্যতার সাধারণ পরিচিতি ব্রোঞ্জ যুগীয় সভ্যতা। এই পরিচিতির সূত্র ধরে আমরা ভাবতে পারি হরপ্পা সভ্যতায় ব্রোঞ্জ শিল্পের উন্নতি যথেষ্ট উন্নত পর্যায়ে গিয়েছিল। এবং হরপ্পান কারিগরেরা ব্রোঞ্জ শিল্পে দক্ষ হস্ত ছিলেন। আর ভাবা যেতে পেরে হরপ্পা সভ্যতার যুগে লোকের হাতে হাতে ছিল ব্রোঞ্জের নানা উপকরণ ও হাতিয়ার। হরপ্পা সভ্যতা থেকে পাওয়া ব্রোঞ্জের মূর্তি বা নানা উপকরণ সেই ধারনাকেই জোরদার করবে। তামা নিয়ে ভাবার অবকাশ নেই। সেই মেহেরগড় থেকেই তামার ব্যবহার চলছে। সোনা রূপারও ব্যবহারও হরপ্পা সভ্যতায় ছিলই। সব মিলিয়ে যে ছবি ফুটে ওঠে তা হরপ্পা সভ্যতার আমলের প্রচলিত সব ধাতুরই ব্যবহার হরপ্পা কারিগরদের জানা ছিল এবং ব্যবহারও হতো।
'পেশিটা' হল সিরিয়াক বাইবেল। মূলগতভাবে আরামাইক ভাষায় লেখা। পৃথিবীর অধিকাংশ খ্রিষ্টানই গ্ৰীক বাইবেলের অনুবাদ পাঠ করে, কিন্তু খ্রিষ্টধর্মের যে শাখাগুলো সিরিয়া বা আসিরিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত তারা পেশিটা বা সিরিয়াক বাইবেলের অনুবাদ পাঠ করে। এই শাখাগুলির বেশিরভাগই কেরলে আর মধ্যপ্রাচ্যে। এই শাখাগুলি হল কেরলের সিরো-মালাবার ক্যাথলিক, জেকোবাইট সিরিয়ান অর্থোডক্স, মলঙ্কর অর্থোডক্স, মার থোমা ইত্যাদি, আর মধ্যপ্রাচ্যের সিরিয়ান অর্থোডক্স আর আসিরিয়ান চার্চ অফ ইস্ট। পেশিটা গ্ৰীক বাইবেলের থেকে কিছুটা আলাদা। এটি যীশুর মাতৃভাষা আরামাইকে লেখা। কারো কারো মতে এটি গ্ৰীক বাইবেলের থেকে কিছুটা পুরোনো- যদিও সেটা নিয়ে সংশয় আছে- গ্ৰীক বাইবেলকেই সবচেয়ে পুরোনো বাইবেল বলে ধরা হয়।
জ্যামিতির সাথে আমার পরিচয় বহুদিনের। সেই যখন ষষ্ঠ শ্রেণীতে নিরঞ্জন স্যার ( আমার অন্যতম প্রিয় শিক্ষকদের মধ্যে একজন ) কোণ রেখা বৃত্ত ত্রিভুজ ইত্যাদির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন। এর সঙ্গেই পরিচয় হলো জ্যামিতির কিছু বিশেষ ধর্মের সঙ্গে। পরবর্তীকালে যেগুলোকে হয় উপপাদ্য অথবা স্বতঃসিদ্ধ বলে জানলাম। তখন অবশ্য জানা ছিল না যে জ্যামিতির ইতিহাস আদতে বুড়ি পৃথিবীর মতই প্রাচীন। সভ্যতার আদিকাল থেকেই নানা প্রাত্যহিক প্রয়োজনে, যেমন গৃহ নির্মাণ, যজ্ঞবেদী নির্মাণ অথবা বন্যার পরে ভূখণ্ডকে পুনর্বিভাজন ইত্যাদি কারণে রেখা কোণ এবং তার বৃত্তীয় পরিমাপ সংক্রান্ত টুকরো টুকরো জ্ঞান জমা পড়ছিল মানব সভ্যতার ভান্ডারে। ত্রিভুজ চতুর্ভুজ ও বৃত্তের কিছু কিছু ধর্ম আবিষ্কৃত ও ব্যবহৃত ছিল। সমকোণ আঁকার পদ্ধতিও অনেক প্রাচীন সভ্যতা বের করে ফেলেছিল। চীন, ভারত মিশর ইত্যাদি সব সভ্যতাতেই জ্যামিতিক জ্ঞানের কিছু ব্যবহার দেখা যায়।